-৩০% পড়ে দেখুন
লেখক পরিচিতি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা সাঈদী রহ. বিশ্বখ্যাত একজন ইসলামিক স্কলার ও রাজনীতিবিদ। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ছিলেন। জালিমদের শত অত্যাচারে তিনি ছিলেন অবিচল। জীবনের শেষ ১৩ টি বছর তিনি বহুকষ্টে কারাগারে কাটিয়েছেন। তবুও জালিমদের কোনো ফাঁদে পা দেননি। জালিমের বশ্যতা স্বীকার করেননি। তিনি একাধারে আলেম, ইসলাম প্রচারক, লেখক, রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী ও সংসদ সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশের শীর্ষ জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তাঁর জনপ্রিয়তা ধর্ম, রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্র সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে। হাসিনা সরকার তাঁকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।
জন্ম ও শিক্ষা
শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৯৪০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানীর বালিপাড়া ইউনিয়নের সাঈদখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম ইউসুফ সাঈদী একজন আলেম, শিক্ষক ও ধর্ম প্রচারক ছিলেন। শহীদ আল্লামা সাঈদী ছারছিনা আলিয়া মাদরাসা ও খুলনা আলিয়া মাদরাসায় তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি তাফসির শাস্ত্রে কামিল পাশ করেন। ছাত্রজীবনেই তিনি ইসলাম প্রচারের সাথে যুক্ত হন। আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শেষ করার পর তিনি দীর্ঘ ৫ বছর ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, মনোবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন মতাদর্শ ও ভাষার ওপর বিশ্লেষণধর্মী গবেষণা কার্যে নিজেকে নিয়োজিত করেন।
পারিবারিক জীবন
আল্লামা সাঈদী রহ. ১৯৬০ সালে বেগম সালেহা সাঈদীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির ৪ সন্তান। রাফীক বিন সাঈদী, শামীম বিন সাঈদী, মাসুদ বিন সাঈদী ও নাসিম বিন সাঈদী। এর মধ্যে ১ম সন্তান রাফীক বিন সাঈদী ২০১২ সালের ১৩ জুন ইন্তেকাল করেন।
সাংগঠনিক জীবন
সত্তরের দশক থেকে শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ইসলামী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি জামায়াতের রুকন শপথ নেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য হন। আল্লামা সাঈদী ১৯৯৬ সালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য হন। ১৯৯৮ সালে তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য হন। আল্লামা সাঈদী রহ. ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর হন। সেই থেকে শাহাদাত পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী-এর বই
-৩০% পড়ে দেখুন
ম